বিপ্লবী এক জীবনদর্শন। যার পরশে বদলে যায় মানুষের অন্তর্গত সত্তা। নবিজির জানের দুশমন হয়ে ওঠে ইসলামি জাহানের খলিফা। ডাকাত পরিণত হয় আল্লাহর ওলিতে। সাধারণ এক ক্রীতদাস জায়গা করে নেয় যুগশ্রেষ্ঠদের মিছিলে। এ যেন আশ্চর্য এক জিয়নকাঠি! মানুষের মৃতপ্রায় বিবেককে জাগিয়ে তোলে। শরীরের প্রতিটি লোমকূপে জাগায় অপার্থিব শিহরন। সেই বৈপ্লবিক জীবনব্যবস্থার নাম ইসলাম। আর এর সংবিধান হলো আল কুরআন। হেরা পর্বতের…
মুসলিম হিসেবে আমাদের নিকট ইসলামের প্রথম দাবিটিই হলো বিশ্বাস। এক মহাপরাক্রমশালী সত্তার নিরঙ্কুশ ক্ষমতার অধীনে চলছে এ বিশ্বজগৎ। তিনি দৃশ্যমান নন, কিন্তু একজন বিশ্বাসী গোটা সৃষ্টিকুলের মাঝে অনুভব করেন তাঁর প্রবল অস্তিত্ব। এই বিশাল সৃষ্টিরাজির মহাবিস্ময় দেখে বিশ্বাসী মন অজান্তেই বলে ওঠে—নিশ্চয় কেউ একজন আছেন, যিনি দৃশ্যকল্পের অন্তরাল থেকে নিয়ন্ত্রণ করছেন সবকিছু।
অন্তরে প্রশান্তির প্রধান উপায় হলো—ইবাদত। রাসূলে আকরাম (সা.) ও সম্মানিত সাহাবিগণ ইবাদতের বদৌলতেই লাভ করেছিলেন সাকিনাতুল ক্বলব বা শান্তিময় অন্তর। জীবনের প্রতিটি পদক্ষেপকেই তাঁরা সাজিয়েছিলেন ইবাদতের রুপালি মোড়কে। আনুষ্ঠানিক ইবাদতসমূহকে তাঁরা সর্বোচ্চ গুরুত্বের সাথে যথাসময়ে, সঠিক নিয়মে পালন করতেন। তাঁদের দেখানো নিয়মে এই ইবাদতসমূহ পালন করাই একজন মুসলিমের প্রধান কর্তব্য। ইসলামের আনুষ্ঠানিক ইবাদতসমূহের মধ্যে প্রধান হলো—নামাজ, রোজা, হজ, জাকাত।
পরম সুখের আবাস জান্নাত থেকে দুনিয়ায় নামিয়ে দেওয়া হলো আমাদের আদি পিতা-মাতা আদম-হাওয়া (আ.) দম্পতিকে। প্রথম মানবসংসারের গোড়াপত্তন হলো পৃথিবীর বুকে। প্রজন্ম থেকে প্রজন্মে বিশ্বময় ছড়িয়ে পড়ল মানুষ। গড়ে উঠল ভিন্ন ভিন্ন ভাষা ও সংস্কৃতি। আল্লাহ তাঁর প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে মানুষের জন্য পথনির্দেশিকা পাঠালেন। যারা এই নির্দেশিকা অনুসারে চলবে, তারা ফিরে পাবে জান্নাত; আদমের আদিম ঠিকানা।
আপনার চারপাশে কি এমন কেউ আছে, যে ইসলাম সম্পর্কে একেবারই অজ্ঞ; কিন্তু জানতে চায় ইসলামকে একদম শুরু থেকে? এমন কেউ কি আছে, যে গোমরাহির কালো অধ্যায় শেষে নতুন করে ইসলামের ছায়াতলে ফিরতে চায়; কিন্তু জানে না ইসলামের মৌলিক বিধিবিধান জানার যাত্রা কীভাবে শুরু করবে? আপনার পরিবারে কি কিশোর বালক-বালিকা রয়েছে, যাদের হাতে-কলমে শেখাতে চান ইসলামের মৌলিক ইবাদাতসমূহের নিয়মকানুন, প্রয়োজনীয় মাসয়ালা-মাসায়েলসহ…